ওগো এত প্রেম-আশা, প্রাণের তিয়াষা কেমনে আছে সে পাশরি ।
তবে সেথা কি হাসে না চাঁদিনী যামিনী, সেথা কি বাজে না বাঁশরি ।।
সখী, হেথা সমীরণ লুটে ফুলবন, সেথা কি পবন বহে না ।
সে যে তার কথা মোরে কহে অনুক্ষণ, মোর কথা তারে কহে না !
যদি আমারে আজি সে ভুলিবে সজনী, আমারে ভুলালে কেন সে ।
ওগো এ চিরজীবন করিব রোদন, এই ছিল তার মানসে ।
যবে কুসুমশয়নে নয়নে নয়নে কেটেছিল সুখরাতি রে,
তবে কে জানিত তার বিরহ আমার হবে জীবনের সাথি রে ।
যদি মনে নাহি রাখে, সুখে যদি থাকে, তোরা একবার দেখে আয়-
এই নয়নের তৃষা, পরানের আশা, চরণের তলে রেখে আয় ।
আর নিয়ে যা রাধার বিরহের ভার, আর কত ঢেকে রাখি বল্ ।
আর পারিস যদি তো আনিস হরিয়ে এক-ফোঁটা তার আঁখিজল ।
না না, এত প্রেম, সখী, ভুলিতে যে পারে তারে আর সেধো না ।
আমি কথা নাহি কব, দুখ লয়ে রব, মনে মনে স'ব বেদনা ।
ওগো মিছে মিছে, সখী, মিছে এই প্রেম, মিছে পরানের বাসনা ।
ওগো সুখদিন হায় যবে চলে যায় আর ফিরে আর আসে না ।
Monday, March 8, 2010
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment